Career Guide

Recent News

View News Archive

Recent Articles

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (সিএ) সম্ভাবনাময় একটি পেশা। বাংলাদেশে তো বটেই, যেকোনো দেশেই সিএ পাস করা ব্যক্তির চাকরিতে অবস্থান ও বেতন অনেকটা উঁচুতে নিঃসন্দেহে। কিন্তু ওই পর্যায়ে যেতে হলে লাগে অসীম ধৈর্য ও সামাজিক সহযোগিতা; বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আমাদের দেশে সহজ নয়। আর মেয়েরা এ ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। ২৫ অক্টোবর ঢাকায় একটি সেমিনারে এমন মতই দিলেন বিশেষজ্ঞ আর অভিজ্ঞরা।
এইচএসসি পাসের পরেই ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার উপযুক্ত সময়। ভবিষ্যতে কোন পেশায় যেতে চান তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে ফেলুন। সে জন্য দরকার প্রয়োজনীয় প্র‘তি। এক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে সময় উপযোগী কোন পেশা। আপনি কোন ধরনের পেশায় আগ্রহবোধ করেন সে অনুযায়ী আপনার ক্যারিয়ার গড়া প্রয়োজন। কারণ আপনার ভুল সিদ্ধান্তের জন্য সঠিক ও উপযোগী চাকরি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। আর এর মাসুল দিতে আপনার জীবন থেকে অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ভুল চাকরি-নির্বাচনের ফলে একজন ব্যক্তি তার কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারে না। ফলে কর্মজীবনেও তারা সফল হতে পারেন না। তাই ক্যারিয়ার সচেতন মানুষের জন্য সময়ের সেরা ১০টি ক্যারিয়ার সম্পর্কে আসুন জেনে নিই।
পড়াশোনা শেষ করে কমবেশি সবাই তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত থাকে। কোন পেশায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলবেন- এ নিয়ে ভীষণ সমস্যার মধ্যে পড়ে যায় সবাই। তাছাড়া কোন ক্যারিয়ার নিজের সঙ্গে ম্যাচ করবে বা কোন ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ ভালো- এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে কেটে যায় অনেকটা সময়। তবে নিজেকে ভবিষ্যতে ভালো একটি পজিশনে দেখতে চাইলে শুধু পড়াশোনাই এক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে আরো কিছু বিষয় আয়ত্ত করা প্রয়োজন। বর্তমানে কম্পিটিশন বেড়ে যাওয়ায় পড়াশোনার পাশাপাশি এ বিষয়গুলোর ওপরই ব্যাপক জোর দেয়া হচ্ছে। ভালো একটি চাকরি পেতে হলে পড়াশোনার পাশাপাশি আর কোন কোন বিষয়ের প্রতি আপনার জোর দেয়া প্রয়োজন, চলুন জেনে নিই সে সম্পর্কে।
সাধারণ পরীক্ষা কিংবা চাকরি পাওয়ার পরীক্ষা, যাই হোক না কেন, সার্বিক সাফল্য নির্ভর করে ভাল উত্তর লেখার পাশাপাশি ভাল ইন্টারভিউ দেওয়ার উপরেও। কিন্তু ভাল উত্তর লেখা আর ইন্টারভিউ বোর্ডের তীক্ষ্ম প্রশ্নের সামনে সফল হওয়া এক নয়। সত্যি কথা বলতে কী, অনেক বাঘা-বাঘা ছাত্রও ইন্টারভিউ-এ বসতে যথেষ্ট শঙ্কিত হয়ে পড়ে। কিন্তু ইন্টারভিউকে এত ভয় পাবেন কেন? যে উত্তরটা খাতায়-কলমে ক্র্যাক করতে বিন্দুমাত্র সময় লাগে না, সেটার সামনাসামনি হলে কুপোকাত অনেকেই। তা হলে যারা ভয়ে ভয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে হাজিরা দেয়, তাদের কি কোন আশাই নেই? আছে, নিশ্চয়ই আছে। স্ট্র্যাটেজি বদলে ফেললেই দেখবে, ইন্টারভিউ হল একটি পজিটিভ এক্সপেরিয়েন্স।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের চাকরি ও পেশার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। এ বদলের ধারা আগামী দিনগুলোতেও থাকবে। বিশ্বায়ন বা আন্তর্জাতিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে গেলে তবেই কাজের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। এসব নিয়ে বলেছেন প্রকৌশল, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, করপোরেট খাতের পেশাজীবীরা।
বিদেশে বাংলাদেশকে অনেকেই চেনে দারিদ্র্য-দুর্নীতি-বন্যা আর অনিয়মের প্রতীক হিসেবে। বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনা করে হার্ভার্ডে যাওয়া কেউ নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলতে গিয়ে হয়তো শোনে ‘বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় আছে!’
ছাত্রজীবনে প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকে পড়াশোনা শেষ করে নিজেকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার। ক্যারিয়ারের সম্মানজনক স্থানে অবস্থান করে একটা সুখের নীড় গড়ার। পরিকল্পনানুযায়ী প্রস্তুতি না থাকার কারণে অনেকেরই সে স্বপ্ন পূরণ হয় না। ভেঙেচুরে খান খান হয়ে যায় ছাত্রজীবনের সোনালি স্বপ্নটি। তখন তাকে অনেক হতাশার মধ্যে পড়তে হয়। জীবনমানকে ঠিক রাখা তার কাছে বড় দায় হয়ে গড়ায়। ব্যর্থতার গস্নানি তিলে তিলে শেষ করে দেয়। তাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলার জন্য ছাত্রজীবন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার। এ প্রস্তুতি নেয়াকে আরো সহজ করতে আপনার জন্য রইলো আটটি পরামর্শ।
সা ক্ষা ত কা র
এশিয়ান কনজিউমার কেয়ার প্রাইভেট লিমিটেড (একটি ডাবর ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি) বাংলাদেশে ডাবরের পণ্য বাজারজাত করছে, যা সারাবিশ্বে পরিচিত। এর গুণগতমান এ দেশের ভোক্তাসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে যিনি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং মননশীল কর্মদক্ষতার কারণে পণ্যগুলো দিন দিন প্রসার লাভ করতে শুরু করেছে তিনি ডাবরের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মনির হোসেন।
সপ্তাহের বাছাই চাকরি
তথ্যপ্রযুক্তি নানা ধরনের কাজকে যেমন করে দিয়েছে সহজ, তেমনি কাজ করার পদ্ধতিকেও নিয়ে এসেছে হাতের নাগালে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং, যার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা দিয়ে কাজের মাধ্যমে সহজে আয় করা সম্ভব। বর্তমানে কাজ করার জন্য আউটসোর্সিং একটি ভালো ক্ষেত্র।আপনি বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের কাজের দক্ষতা দিয়ে জড়িত হতে পারেন আউটসোর্সিংয়ের বিশাল বাজারে। তবে আমাদের দেশে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্র এখনো তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। অনেকে কাজ জেনেও পদ্ধতি জানার অভাবে ধরতে পারছে না আউটসোর্সিংয়ের বিশাল বাজার। তাই ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এবং এর বিভিন্ন বিষয় আরও সহজভাবে জানতে আগ্রহীরা অংশ নেয় নানা কর্মশালায়।
অমিত সম্ভাবনাময় তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ বেশিদিনের না হলেও তারুণ্যময় যুব সমাজ নিজেদের মেধা এবং পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিজেদের পরিণত করেছে যোগ্য ব্যক্তিরূপে। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মক্ষেত্রে পদের বিপরীতে চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অনেকের পক্ষেই পছন্দনীয় চাকরি লাভ করা অনেকক্ষেত্রেই সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু অনলাইন ভিত্তিক কাজের মাধ্যমে সুযোগ রয়েছে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থ লাভ করার। তারুণ্যময় যুব সমাজের অনেকেই বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ সমূহ করার মাধ্যমে অর্থ আয় করে চলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠনের নানাবিধ দিকসমূহ তুলে ধরা হয়েছে আমাদের এবারের প্রতিবেদনে।
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই ফলাফল নির্ভর, কিন্তু কাঙ্খিত ক্যারিয়ারের জন্য প্রয়োজন জ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা। এই বিষয়য়টির সঙ্গে আমি একমত পোষণ করি। বোধকরি শতভাগ অভিমতই অনুরূপ হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে। কে, কিভাবে, কোথা থেকে এর বাস্তবায়ন করবে, প্রশ্ন সেখানেই। বর্তমানে সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জনের যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, তাতে শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় সাজেশন ও নোট নির্ভর শিক্ষা পরিহার করে মূল পাঠ্যমুখী হবে এটা দুরাশা। ফলে তাদের দৃষ্টি একাগ্রতা যাতে পুস্তকমুখী হয়ে সেই ব্যবস্থা শিক্ষানীতি তথা পদ্ধতিতে থাকতে হবে। পুস্তকমুখী বলতে আমি বুঝাচ্ছি, সাজেশন নির্ভর অংশ বিশেষ পাঠ্য মুখস্থ করার অভ্যাস পরিহার করে মূল পাঠ্য আগা-গোড়া বুঝে পড়াসহ ব্যবহারিক শিক্ষা চর্চায় উৎসাহিত করতে হবে।
বিশ্ব এখন এগিয়ে চলছে তথ্য প্রযুক্তি বা আইসিটির ওপর নির্ভর করে। যে দেশ যত বেশী তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ সে দেশ তত বেশী উন্নত। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি সাধনে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কলসেন্টার শিল্প। তথ্য প্রযুক্তি সেবার অনেক গুলো শাখার মধ্যে কলসেন্টার একটি বৃহৎ অংশ জুড়ে আছে। সমগ্র বিশ্বে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বাজারে পরিণত হয়েছে এই কলসেন্টার শিল্প, যার ৪০% দখল করে আছে শুধুমাত্র ভারত।
শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আমাদের দেশে দিনে দিন বেড়েই চলেছে। তার কারণ আমাদের দেশে যে পরিমাণ ছাত্রছাত্রী প্রতিবছর গ্রাজুয়েশন করে বের হয় সে তুলনায় কাজের ক্ষেত্র নিতান্তই কম। আর এ কারণে উপার্জনের আশায় দেশের হাজার হাজার যুবক পাড়ি জমাচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকায়, কিন্তু উপযুক্ত কাজের দক্ষতা না থাকায় তারা নিম্নমানের পেশা বেছে নেয়। আর এ কারণে তাদেরকে দক্ষ জনশক্তির তুলনায় অনেক কম বেতনে চাকরি করতে হয়। অপরদিকে তাদের জীবন যাত্রাও হয় নিম্নমানের, কিন্তু কেউ যদি হোটেল ম্যানেজমেন্টের ওপর গ্রাজুয়েশন করে তবে সে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

অটোক্যাড, থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স ও গ্রাফিক্স ডিজাইন

বর্তমানে অটোক্যাড এবং থ্রিডি এনিমেশনের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প খরচে প্রশিক্ষণ দেওয়ার এক বিশেষ কর্মসূচী হাতে নিয়েছে অটোক্যাড ট্রেনিং হোম এটিএইচ। দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতার আলোকে দক্ষ প্রশিক্ষক অটোক্যাড ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা এখানে অটোক্যাড প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে। কোর্সগুলোর মধ্যে থাকছে অটোক্যাড টুডি, থ্রিডি, থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স, এডব ফটোশপ, এডব ইলাসট্রেটর। এছাড়া এখানে বড় সাইজের ট্রেসিং পেপারে প্রিন্ট, বড় সাইজের কালার প্রিন্ট, বড় ম্যাপ কপি, বড় লেমিনেটিং ইত্যাদিও করানো হয় কম খরচে। ************************** যোগাযোগঃ ০১৭১১৮২৫৮০৩, ৯১২৯৮৯৪। দৈনিক ইত্তেফাক, ২৯ নভেম্বর ২০০৮।
চাকরির খোঁজ সপ্তাহের সেরা চাকরি
শুধু যোগ্যতা থাকাটাই চাকরির জন্য অনেক সময় যথেষ্ট নয়। এসব যোগ্যতাসহ নিজেকে সঠিকভাবে তুলে ধরাটাও জরুরি। বিভিন্ন চাকরির ক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতার প্রথম উপস্থাপনা হয় সিভি, রিজিউম অর্থাৎ জীবনবৃত্তান্তে। এটি মূলত একজন প্রার্থীর জীবনের সারমর্ম। এতে ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ সংক্ষেপে নিজেকে তুলে ধরা হয়। এ প্রতিযোগিতার বাজারে প্রথম উপস্থাপনায় অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করার প্রথম সুযোগটি দেয় জীবনবৃত্তান্ত। এ জন্য ভুল তো করা যাবেন না, সঙ্গে স্বকীয়তাও থাকতে হবে। ঝকঝকে সুন্দর, নির্ভুল তথ্যসমৃদ্ধ এবং উপযুক্ত জীবনবৃত্তান্ত হবে চাকরি পাওয়ার প্রথম শর্ত।
হিসাববিজ্ঞান -- আমি হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে পড়ছি। বর্তমান সময়ে এ বিষয়ের যথেষ্ট চাহিদা আছে বলে মনে করি। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে জেলা পর্যায়ের একটি কলেজে পড়লেও পড়াশোনা করছি গুরুত্ব দিয়েই।এখন আমি ঢাকায় থাকছি। ঢাকাতেই এমবিএ করতে চাই। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে সান্ধ্যকালীন এমবিএ করতে আমি আগ্রহী। স্মাতক (সম্মান) পরীক্ষার ফলাফল না হলেও কি এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায়? নাকি হিসাববিজ্ঞানে স্মাতকোত্তর করেও ভালো চাকরি পাওয়া সম্ভব?
অভিজ্ঞতা যেন হয় বর্তমানে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান অভিজ্ঞ প্রার্থীকেই নিয়োগ দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কাজ না পেলে অভিজ্ঞতাটা হবে কীভাবে। প্রত্যেকেরই শিক্ষাজীবন থেকে পেশা নির্বাচনে কিছু পছন্দ থাকে এবং তার চিন্তাধারা সেভাবে প্রস্তুত হতে থাকে। কিন্তু দেখা যায়, লেখাপড়া শেষ করেও অভিজ্ঞতা নেই বলে পছন্দমতো কর্মক্ষেত্র পাওয়া যায় না। ফলে আর্থিক প্রয়োজনে এবং বেকারত্ব থেকে মুক্তির জন্য অন্য চাকরিতে যোগ দিতে হয়।
No articles found.
No popular articles found.