Career Guide

পরীক্ষা প্রস্তুতি

(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (সিএ) সম্ভাবনাময় একটি পেশা। বাংলাদেশে তো বটেই, যেকোনো দেশেই সিএ পাস করা ব্যক্তির চাকরিতে অবস্থান ও বেতন অনেকটা উঁচুতে নিঃসন্দেহে। কিন্তু ওই পর্যায়ে যেতে হলে লাগে অসীম ধৈর্য ও সামাজিক সহযোগিতা; বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আমাদের দেশে সহজ নয়। আর মেয়েরা এ ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। ২৫ অক্টোবর ঢাকায় একটি সেমিনারে এমন মতই দিলেন বিশেষজ্ঞ আর অভিজ্ঞরা।
সাধারণ পরীক্ষা কিংবা চাকরি পাওয়ার পরীক্ষা, যাই হোক না কেন, সার্বিক সাফল্য নির্ভর করে ভাল উত্তর লেখার পাশাপাশি ভাল ইন্টারভিউ দেওয়ার উপরেও। কিন্তু ভাল উত্তর লেখা আর ইন্টারভিউ বোর্ডের তীক্ষ্ম প্রশ্নের সামনে সফল হওয়া এক নয়। সত্যি কথা বলতে কী, অনেক বাঘা-বাঘা ছাত্রও ইন্টারভিউ-এ বসতে যথেষ্ট শঙ্কিত হয়ে পড়ে। কিন্তু ইন্টারভিউকে এত ভয় পাবেন কেন? যে উত্তরটা খাতায়-কলমে ক্র্যাক করতে বিন্দুমাত্র সময় লাগে না, সেটার সামনাসামনি হলে কুপোকাত অনেকেই। তা হলে যারা ভয়ে ভয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে হাজিরা দেয়, তাদের কি কোন আশাই নেই? আছে, নিশ্চয়ই আছে। স্ট্র্যাটেজি বদলে ফেললেই দেখবে, ইন্টারভিউ হল একটি পজিটিভ এক্সপেরিয়েন্স।
আপনি প্রস্তুত তো? যাঁরা ২৮তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ইতিমধ্যে প্রিলিমিনারি অবজেকটিভ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে এবং পরীক্ষার প্রবেশপত্রও পৌঁছে গেছে পরীক্ষার্থীদের কাছে। হাতে মাত্র কয়েকটি দিন সময় আছে। আগামী ২৮ নভেম্বর ২৮তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার দিন ঠিক করেছে পিএসসি।
২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ২৮তম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ২৮তম বিসিএস পরীক্ষার বাছাইপর্বে যাঁরা অংশ নিচ্ছেন তাঁদের বেশ কিছু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। কেননা, শুধু বাছাইপর্বে উত্তীর্ণরা পরবর্তীকালে লিখিত পরীক্ষার সুযোগ পান। বিসিএসের জন্য বাছাই পরীক্ষা দেওয়ার আগের প্রস্তুতি সম্পর্কে জেনে নিন এবার-
২৮তম বিসিএস পরীক্ষার সময় যত এগিয়ে আসছে আপনার মনে ততই দানা বাঁধছে পরীক্ষা নিয়ে নানা আতঙ্ক। কেমন হবে এ পরীক্ষা, সব প্রশ্নের উত্তর কি দিতে পারব? আচ্ছা, ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকলে কি প্রশ্ন ছেড়ে দিয়ে আসব-ইত্যাদি প্রশ্ন এখন উঁকি দিচ্ছে আপনার মনে। হয়তো নিজের ওপর বিশ্বাসহীনতায় ভুগছেন আপনি। অথচ শুধু মানসিকভাবে স্থির থাকলেই আপনি এই পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল পাবেন। অন্যান্য যেসব পরীক্ষার্থী আছেন, তাঁরাও আপনারই মতো সাধারণ মানুষ। স্কুলের সেই প্রথম শ্রেণী থেকে আজ অবধি আপনার মস্তিষ্কে সংরক্ষিত আছে হাজারও তথ্য। আর প্রতিটি তথ্যই কোনো না কোনো প্রশ্নের উত্তর। বিসিএস পরীক্ষায় বিশাল এই তথ্যভাণ্ডারের বাইরে কোনো প্রশ্ন আসবে না।
ভাষা পরীক্ষা অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে অজানা ভাষার কারণে অনেকে নানা বিড়ম্বনার শিকার হন। ভাষা না জানাসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এখন কোরিয়ায় যেতে ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেই হবে। এ পরীক্ষা আগামী ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ইপিএস-কেএলটি নামের এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তা শুধু চাকরিপ্রার্থীর তালিকায় নাম নিবন্ধনের যোগ্যতা নিশ্চিত করে; চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। চাকরি নিয়ে কোরিয়া যাওয়ার ব্যাপারে যেকোনো তথ্য জানা যাবে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ওয়েবসাইটে (www.boesl.org.bd)।
নিয়োগকর্তার কাছে চমৎকার একটি আবেদনপত্র বা কভার লেটারসহ জীবনবৃত্তান্ত পাঠানোর পর যেকোনো চাকরিপ্রার্থীর উচিত হবে সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুত হওয়া। সাক্ষাৎকারপর্ব ভালোয় ভালোয় শেষ করার জন্য কিছু সাধারণ কিন্তু মারাত্মক ভুল এড়িয়ে চলতে হবে।
আমেরিকার নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির জব প্লেসমেন্ট অফিসার Frank S. Endicot ১৯৩টি ভাইভা বোর্ডের উপর জরিপ চালিয়ে নিম্নের উল্লেখিত ৫০টি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। এই কারণগুলোর মধ্যে যে কোন একটি কারণে একজন প্রার্থী ভাইভা বোর্ড থেকে বাদ পড়তে পারেন। কারণগুলো নিম্নরূপঃ ০ নিম্নমানের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ বা চেহারায় সতেজতার অভাব ০ অতি গুরুগম্ভীরতা, অতিরঞ্জিত, প্রবঞ্চনাপূর্ণ বা সবজান্তাভাব প্রকাশ ০ নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশে দক্ষতার অভাব ও নিম্নমানের কণ্ঠস্বর, শব্দচয়ন ও ব্যাকরণের ভুল প্রয়োগ ০ পেশা সম্পর্কে পরিকল্পনার অভাব। উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যবিহীন পরিকল্পনা
একটি সফল ইন্টারভিউ হলো একজন চাকরি প্রার্থীর জীবনের সফলতার জন্য অপরিহার্য একটি অধ্যায়। তাই ভাইভা চলাকালীন সময় প্রার্থীকে অবশ্যই কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, যাতে ভাইভাটা সবদিক থেকে সাফল্য মন্ডিত হয়। নিজেকে যথা সম্ভব সংযত রেখে ধীরস্থির ভাবে প্রশ্নকর্তার উত্থাপিত সমস্যার সমাধান দিতে হবে। নিজেকে প্রকাশ করতে হবে সাবলীলভাবে। ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ, বসা, বেরোনো ও উত্তর দেয়ার সময় প্রার্থীর আচরন ও কথোপকথন দ্বারা নির্ধারিত হয় প্রার্থীর সফলতা বা ব্যর্থতা।
ভাইভা পরীক্ষা ভাইভা পরীক্ষা প্রত্যেক চাকরি প্রার্থীর জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেননা নিয়োগকর্তার সাথে মাত্র বিশ বা ত্রিশ মিনিটের এই আলোচনার উপর নির্ভর করে একজন চাকরি প্রার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতা। অনেক মেধাবী চাকরি প্রার্থীর মনেও ভাইভা আতংক দেখা যায়। অথচ সুনিদিষ্ট কিছু বিষয়ে পরিস্কার ধারনা থাকলে বা ভাইভা পরীক্ষার কিছু নিয়ম কানুন পূর্ব থেকে জানা থাকলে অতি সহজেই এই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল লাভ করা সম্ভব। এ পরিসরে আমরা ভাইভা পরীক্ষার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »
No popular articles found.